মো. সাহাবুদ্দিন সর্ম্পকে এই বিষয়গুলো জানেন তো ?। Did you know these about Mohammed Shahabuddin ?

সূচনা (Introduction):

বিগত ২৪-০৪-২০২৩ ইং তারিখ রোজ সোমবার বাংলাদেশের ২২ তম নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন জনাব মো. সাহাবুদ্দিন (Mohammed Shahabuddin)। তাঁর ডাকনাম চুপ্পু (Chuppu)। তাঁর বর্ণিল জীবনে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উচ্চ পদে ভুষতি হয়েছেন। যেমন: কর্মজীবনের প্রথম দিকে তিনি সাংবাদিক (১৯৮০), পরে আইনজীবী, তারপর সহকারী জজ (১৯৮২), বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের মহাসচিব (১৯৯৬), বিসিএস ক্যাডার হয়ে জেলা ও দায়রা জজ (অবসর ২০০৬), সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি মর্যাদায় তদন্তকারী (২০০১), বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়কারী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডেস্ক অফিসার, দূ্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (২০১১), ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান, এন আরবি গ্লোবাল ব্যাংকের উপদেষ্টা, এমপি প্রভৃতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। তবে প্রথমত তিনি বাংলাদেশের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহব্বায়ক ছিলেন। ১৯৭১ সালের ০৯ এপ্রিল তিনি ভারতে যান এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে পাবনা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সক্রিয় যুদ্ধ করেন। চলুন মোহাম্মাদ সাহাবুদ্দিন আহমেদ এঁর জীবন বৃত্তান্ত সম্পর্কে আরো কিছু জেনে নিই।

Table of Contents

Physical structure of Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন এর শারীরিক গঠন):

উচ্চতা (Height)অজ্ঞাত
ওজন  (weight)অজ্ঞাত
চোখের রং (Eye color)কালো (Black)
চুলের রং (hair color)কালো (Black)
দেহের গড়ন (body structure)পাতলা (lite)
মোবাইল নং (Cell no)অজ্ঞাত
ইমেইল (Email)অজ্ঞাত
পেশা (Occupation)সরকারী চাকুরী, রাজনীতি, আইনজীবি, বিচারপতি, রাষ্ট্রপতি প্রভৃতি
ধর্ম (Relign)ইসলাম (Islam)

Mohammed Shahabuddin’s Birth, Age, Father, Mother (মো. সাহাবুদ্দিন এর জন্ম জন্ম, বয়স, পিতা, মাতা):

মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জুবিলি ট্যাঙ্কপাড়ায় বর্তমান বাংলাদেশের পাবনা জেলার উপজেলার শিবরামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার হোমটাউন পাবনাতবে তিনি এখন ঢাকার অভজিাত এলাকা গুলশানে থাকেন । জন্ম তারিখ অনুযায়ী ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস র্পযন্ত তার বয়স ৭৩ বয়স ৪ মাস। তার পিতা মোহাম্মাদ শরফুদ্দিন আনসারী ও মাতা মোছাম্মাদ খায়রুন্নসো।

Mohammed Shahabuddin’s Education (মোহাম্মাদ সাহাবুদ্দিন আহমেদ এর শিক্ষাজীবন):

Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন) ১৯৬৬ সালে পাবনা রাধানগর মজুমদার একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ, থেকে এসএসসি এবং ১৯৬৮ সালে এ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ও ১৯৭১ সালে (১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত) বিএসসি পাস করেন। তিনি ১৯৭৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রী লাভ করেন। পরে পাবনা শহীদ অ্যাডভোকেট আমিনুদ্দিন আইন কলেজ থেকে ১৯৭৫ সালে এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করেন।

Political life of Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন এর রাজনৈতিক জীবন):

Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন) রাজনৈতিক জীবনে তিনি পাবনা জেলার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এপদস্থ অবস্থাতইে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। এরপর তিনি যুবলীগের রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ১৯৭৪ সালে পাবনা  জেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজবিুর রহমান সহ তার পরিবারকে হত্যা করা হলে তিনি প্রতিবাদ জানান ও ০৩ বছর কারাবরণ করেন। তারপর তিনি পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তার গঠনতান্ত্রিক ক্ষমতাবলে ২০২০ সালে তাকে দলের উপদষ্টো পরষিদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেন। এরপর তাকে দলের উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান করা হয়। আওয়ামীলীগের বর্তমান কমিটিরও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হন তিনি।

Working life of Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন এর কর্মজীবন):

কর্মজীবনের শুরুতে তিনি বভিন্নি সরকারী চাকুরীতে তার বর্ণিল কর্মজীবন শুরু করেন। যেমন: যেমন: কর্মজীবনের প্রথম দিকে তিনি সাংবাদিক (১৯৮০), পরে আইনজীবী, তারপর সহকারী জজ (১৯৮২), বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের মহাসচিব (১৯৯৬), বিসিএস ক্যাডার হয়ে জেলা ও দায়রা জজ (অবসর ২০০৬), সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি মর্যাদায় তদন্তকারী (২০০১), বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়কারী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডেস্ক অফিসার, দূ্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (২০১১), ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান, এন আরবি গ্লোবাল ব্যাংকের উপদেষ্টা প্রভৃতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৬ সালে অবসরে যান। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা, হত্যা, র্ধষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনা তদন্তে পরবর্তী সময়ে গঠিত বিচার বভিাগীয় তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান (সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পদমর্যাদায়) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার কারণ ও সুপারিশ প্রণয়ণের জন্য গঠিত কমিশনের দাখিলকৃত প্রতিবেদন সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করে। তিনি দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিশ্বব্যাংক উত্থাপিত কথিত পদ্মা সেতু সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে অন্যতম মুখ্য ভূমিকা পালন করেন এবং বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের মিথ্যা ও অন্তঃসারশূন্যতা প্রমাণে সর্মথ হন। তার তৈরী তদন্ত প্রতিবেদন কানাডার আদালতেও সমর্থিত হয়।

Mohammed Shahabuddin’s Marriage, Family, Son (মো. সাহাবুদ্দিন এর বিবাহ, পরিবার ও সন্তান):

মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৭২ সালে ২২ বছর বয়সে বিয়ে করেন। তিনি তাঁর জেলার অন্তর্গত দিদালপুর গ্রামে ড: রেবেকা সুলতানার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মো. সাহাবুদ্দিন এঁর শ্বশুর এর নাম মোহাম্মাদ আলী আক্তার। তাঁদের একটি মাত্র সন্তান রয়ছে। যার নাম মো. আরশাদ আদনান রনি ।তাঁর সন্তান বর্তমানে প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ড: রেবেকা সুলতানা মোহাম্মাদ সাহাবুদ্দিন আহমেদ এর মতন সুযোগ্যা অর্ধাঙ্গীনিও বটে। তিনি যখেষ্ট উচ্চশিক্ষত । ড: রেবেকা সুলতানা বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদেন এবং ২০০৯ সালে অবসর গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি ফ্রেন্ডস ফর চিলড্রেন এর ফাউন্ডার চেয়ারম্যান এবং প্রাইম এশিয়ার ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মাদ সাহাবুদ্দিন, Mohammed Shahabuddin family
Mohammed Shahabuddin’s Book (মো. সাহাবুদ্দিন এর লিখিত বই):

নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাহাবুদ্দিন এঁর লিখিত প্রথম বই ‘এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ প্রকাশিত হয়েছে। আগামী প্রকাশনী হতে বইটি প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত মো. সাহাবুদ্দিন (Mohammed Shahabuddin) এঁর লেখা একুশটি কলাম ও স্মৃতিচারণমূলক লেখা, তিনটি সাক্ষাৎকার এবং তার জীবন সম্পর্কিত একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ গ্রন্থটিতে স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তার দুষ্প্রাপ্য ও ঐতিহাসিক কিছু আলোকচিত্র বইটিতে যুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন তথ্যবহুল প্রবন্ধ সমৃদ্ধ বই ‘এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ গ্রন্থের পাতায় পাতায় বিধৃত হয়েছে মো. সাহাবুদ্দিন (Mohammed Shahabuddin) এঁর শৈশব থেকে শুরু করে পুরো জীবনের কথা। যেমন: তার সংগ্রাম, রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, জেলজীবন, কর্মজীবন, সংসার-জীবন, চিন্তাদর্শ তথা সবকিছুর পরিচয়।

Conclusion (উপসংহার):

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে আমরা জানলাম বাংলাদেশের নতুন ২২ তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মো. সাহাবুদ্দিন (Mohammed Shahabuddin) এঁর জীবন বৃত্তান্ত, পরিচয়, জন্ম, বয়স, পিতামাতা, শিক্ষাজীবন, রাজনৈতিক জীবন, কর্মজীবন, বিবাহ, পারিবারিক জীবন, সন্তান, লিখিত বই প্রভৃতি সম্পর্কে। আরো জানলাম তাঁর সাহসী বর্ণাঢ্য জীবন সম্পর্কে। আমরা বিশ্বাস করি মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মো. সাহাবুদ্দিন এঁর মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে দুর্বার গতিতে। একজন মহামান্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি তাঁর সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করে আমাদের দেশকে আরো সমৃদ্ধ করবেন এটাই সবার আশা। আমরা তাঁর ২২ তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি পদে অভিষেক এ শুভকামনা জানাই।

Facebook page Link of Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন):

মো. সাহাবুৃদ্দিন এর লিখিত বই কিনতে লিঙ্কে ক্লিক করুন

The identity of Mohammed Shahabuddin? (মো. সাহাবুদ্দিন এর পরিচয়)

The new 22nd His Excellency the President of Bangladesh (বাংলাদেশের নতুন 22 তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি)

Birth of Mohammed Shahabuddin? (মো. সাহাবুদ্দিন এর জন্ম)

10 December 1949 (১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর)

Hometown of Mohammed Shahabuddin? (মো. সাহাবুদ্দিন এর জেলা)

(Pabna) পাবনা

Education of Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন এর শিক্ষা)

He passed SSC from Pabna Radhanagar Majumdar Academy School and College in 1966 and HSC from Edward College in 1968 and BSc in 1971 (held in 1972. (১৯৬৬ সালে পাবনা রাধানগর মজুমদার একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ, থেকে এসএসসি এবং ১৯৬৮ সালে এ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ও ১৯৭১ সালে (১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত) বিএসসি পাস করেন।)

মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের কত তম রাষ্ট্রপতি ?

22nd (২২ তম)

মো. সাহাবুদ্দিন লিখিত বইয়ের নাম কি?

এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ প্রকাশকাল মে, 2023

Right spelling of Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন এর নামের সঠিক বানান কি?)

Mohammed Shahabuddin (মো. সাহাবুদ্দিন)